আমির খানের লাল সিং চাড্ডা মুভি আসলে কি ব্যবসায় সফল হতে পারবে

লাল সিং চাড্ডা মুভি রিভিউ

প্রিয় দর্শক আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব লাল সিং চাড্ডা মুভি রিভিউ নিয়ে, আপনারা যারা লাল সিং চাড্ডা মুভিটি দেখতে চান। লাল সিং চাড্ডা মুভি পাঞ্জাবি ভাষায় তাই আপনারা যারা পাঞ্জাবি ভাষা বুঝেন না, তারা আমার এই সাইট থেকে লাল সিং চাড্ডা রিভিউ পড়ে জানলে হয়তো ভালোই উপভোগ করতে পারবেন। 


লাল সিং চাড্ডা মুভির ব্যবসায় সফল হতে পারবে কিনা

লাল সিং চাড্ডা আমির খানের একটি জনপ্রিয় মুভি এবং তিনি এই মুভিটি করার জন্য অনেক সময় অতিবাহিত করছেন কিন্তু সম্প্রতি ভারতে তার কিছু বিতরকের কারণে এই মুভিটি ব্যবসায় সফল হবে কিনা সে বিষয়ে একটু সন্দেহ আছে। 


তাই আপনারা যারা লাল সিং চাড্ডা মুভি দেখতে চান বা দেখবেন তারা অবশ্যই আমার এই সাইটের লাল সিং চাড্ডা রিভিউটি অবশ্যই পড়বেন। তাই আমি আজকে লাল সিং চাড্ডা মুভি রিভিউ নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হলাম, তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক লাল সিং চাড্ডা মুভি রিভিউ। 

লাল সিং চাড্ডা মুভি রিভিউ


লাল সিং চাড্ডা এই মুভিতে অভিনয় করেন হিরো হিসেবে আমির খান, এবং নায়িকা হিসেবে কারিনা কাপুর, এরা দুজন এই ছবির অভিনেতা। শুরুতেই আমরা দেখতে পাই আমির খান একটি ট্রেনে যাত্রা করছে, এবং তার সামনে একজন যাত্রী বসা ছিল আমির খান জাতিসংঘে তার জীবনে ঘটে যাওয়া দিনগুলির কথা বলতে শুরু করে। তাহলে চলুন দেখে নেই লাল সিং চাড্ডা আমির খান তার জীবনের কি ঘটনাগুলি বলে। 


আমির খান মুভি শুরুতেই তার ছোটবেলার কাহিনী তে ফিরে যায়, সেখানে দেখা যায় আমির খান  সে হাঁটতে পারে না। এরকম অভিনয় করে এবং সেখানে বলে তার নানা এবং অন্যান্য তারা সবাই শহীদ হয়েছেন। 


আমরা আরো দেখতে পাই আমির খানকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য নিয়ে যায় কিন্তু শিক্ষক তার ভর্তি নিতে চায় না। পরবর্তীতে তার ভর্তি নিয়ে নেয় আমরা তারপরে দেখতে পাই আমির খান [ওরফে লাল সিং চাড্ডা] স্কুলে প্রবেশ করে এবং প্রবেশ করার সাথে সাথে তার একটি ভাল বন্ধু হয়। 


এবং তার বন্ধুর নাম থাকে রুপা, রুপা মূলত ক্যাটরিনা কাইফ ক্যাটরিনা কাইফ এই মুভিতে খিসটানের ধর্ম অবলম্বন করতে দেখা যায়। আমরা আরো দেখতে পাই আমির খান সে শাহরুখ খানকে একটি ডান্স শিখিয়েছে, সেটা ওই ট্রেনে যাত্রীদের সাথে আলোচনা করে। আমরা তারপরে দেখতে পাই গ্রামে আসার পরে লাল সিং চাড্ডা তাকে সবাই বিরক্ত করে এবং তাকে পাথর ছুড়ে মারতে থাকে। 


তখন রুপা লাল সিং চাড্ডা কে পালাতে বলে আর তখন থেকেই তার দৌড় শুরু হয়, এবং তার পরে সে বলে আমি তারপর থেকে যেখানেই যাই না কেন দৌড়ে যাই। আমরা মুভি মধ্যখানে আরো দেখতে পাই রুপার  মাকে মেরে ফেলা হয়, রুপা তারপরে লাল সিং চাড্ডা বাড়িতে আসে এবং তারপরে দেখি তারা বড় হয়ে যায়। 


এবং কলেজে যায় কলেজে যাওয়ার পরে কলেজের পোলাপাইন থাকে পাথর মারতে থাকে এবং রুপা তাকে বলে ভাগ তখন সে একটি দৌড় কম্পিটিশন খেলার মাঠে পৌঁছে যায়। এবং তাদের সাথে দৌড়াতে থাকে কিন্তু কমপিটিশনে অংশ নেয়া যারা ছিল তারা লাল সিং চাড্ডা পিছনে পড়ে যায়। তাকে পছন্দ করে এবং তার কাছে ডেকে নেয় তারপর থেকে তাকে বিভিন্ন দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা এবং বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করতে থাকে। 


তারপর এসে কলেজ শেষ করার পরে আর্মিতে যোগদান করে এবং আর্মিতে যোগদান করা পরে ট্রেনিং এর মাঝখানে তার এক ফ্রেন্ডের সাথে পরিচয় হয়। ফ্রেন্ড হলো আলী অর্জুন সে তাকে গেঞ্জি বানানোর অফার করে এবং সে গেঞ্জি বানায়। সেটা সবাই পছন্দ করে, এরপর থেকে যুদ্ধ শুরু হয় যুদ্ধে আমির খান এবং তারপরে সে আর্মি থেকে বের হয়ে আসে। 


এবার সে বাড়িতে আসার পরে তার ওই বন্ধুর দেয়া কথা মনে রাখে এবং সে গেঞ্জি বানানোর উদ্যোগ নেয়।  কিন্তু মাঝখানে কাটরিনা কাইফের সাথে দেখা হয় কিন্তু সে তাকে অস্বীকার করে, লাল সিং চাড্ডা যুদ্ধের ময়দান থেকে একজন পাকিস্তানীকে উদ্ধার করে, তার নাম থাকে মোহাম্মদ। সেখান থেকে মোহাম্মদ এর সাথে তার পরিচয়, আমরা এদিকে আরো দেখতে পাই রুপা সে আত্মহত্যা করার জন্য লাফ দিতে যায় তখন তার আমির খানের কথা মনে পড়ে। 


তারপর আবার গ্রামে ফিরে আসে আমির খান সে গেঞ্জি বানাতে বানাতে স্টক করে ফেলে, কিন্তু বেচার মতো তার কাছে ছিল না কোন আইডিয়া, কিন্তু তার কথা কেউ বিশ্বাস করে না। তারপরে সে একটি নিউজপেপার দেখায় যেখানে মোহাম্মদ পাজি এবং লাল সিং চাড্ডা তারা আবার ইতিহাসে চলে যায়।  আমরা দেখতে পাই লাল সিং চাড্ডা মা অসুস্থ হয়ে মারা যায়, তারপর থেকে আমির খান ওরফে লাল সিং চাড্ডা গ্রামীণ থেকে যায়। 


আমরা তারপরে দেখতে পাই রুপা সে গ্রামে ফিরে আসে গ্রামে ফিরে আসার পরে রুপার সাথে লাল সিং চাড্ডা হেভি থাকে। কিন্তু মাঝখানে লাল সিং চাড্ডা কোথায় একটা চলে যায় তখন পুলিশ এসে রুপাকে নিয়ে যায়। তখন থেকে লাল সিং চাড্ডা দৌড়াতে শুরু করে, এবং একপর্যায়ে দেখা যায় সে দৌড়াতে দৌড়াতে বহুদূর চলে যায়। 


এবংতারপরে বাড়ি ফেরার পরে সে জানতে পারে রুপা তাকে কল করেছে এবং চিঠি পাঠিয়েছে, সে ওই চিঠি নিয়ে ওই ট্রেনে চলে যায়। এবং তারপরে ট্রেনের থাকা যাত্রীরা সবাই তার কথা বিশ্বাস করে এবং তারপরে ট্রেন থামার পরে সে ট্রেন থেকে নেমে রুপার বাড়িতে যায়। 


রুপার বাড়িতে যাওয়ার পরে রুপা তাকে বলে লাল সিংচাড্ডা সে অনেক বদলে গেছে, এবং রুপোর ছেলে আসে। রুপার ছেলে আসার পরে তাকে তার বন্ধু হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয় এবং লাল সিং চাড্ডা সে বলে তুমি মা হয়ে গেছো রুপা বলে। 


লাল সিং চাড্ডা তার নাম জানতে চাইলে সে বলে তার নাম আমান চাড্ডা, এবং লাল সিং চাড্ডা তার বাবার নাম জানতে চাইলে রুপা তার বাবার নামে বলে লাল সিং চাড্ডা। এবং বলে তুমি ওর বাবা, এবং তারপরে তারা দুজন লাল সিং চাড্ডা আর রুপা এবং তার ছেলে আমান চাড্ডা তারা একসাথে বসবাস করতে থাকে। 


তারপর আমরা মুভি শেষে দেখতে পাই রুপা সে মারা যায়, আর মারা যাওয়ার মধ্যখান দিয়ে লাল সিং চাড্ডা মুভি এখানেই সমাপ্ত হয়ে যায়। 


প্রিয় দর্শক আশাকরি লাল সিং চাড্ডা মুভিটি রিভিউ আপনাদের ভাল লেগেছে, আপনারা যদি এরকম আরো ভালো কোন মুভির রিভিউ পেতে চাইলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন তাহলে সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। 


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

যোগাযোগ ফর্ম